রংপুর সদর উপজেলার নয়াপুকুর গ্রামের ফুটবল একাডেমির নারী ফুটবলাররা বিভিন্ন বাধা উপেক্ষা করে এগিয়ে যাচ্ছেন। তবে তাদের এই এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও রয়েছে বিভিন্ন সমস্যা। তালাবদ্ধ রাখা হয় ড্রেসিং রুম। বাধ্য হয়ে ড্রেস পরিবর্তন করতে হয় খোলামাঠে। আরও নানা অভিযোগ এই নারী ফুটবলারদের।
অথচ রংপুরের এই মাঠে খেলে গড়ে ওঠা নয়জন নারী ফুটবলার বর্তমানে জাতীয় পর্যায়ে খেলছেন।
জানা যায়, তাদের ড্রেসিং রুমটি দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ। ফলে পোশাক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় নারী ফুটবলারদের। এমনকি অনেক সময় বাধ্য হয়ে খোলামাঠে ড্রেস পরিবর্তন করতে হয় তাদের। শুধু তাই নয়, একমাত্র টিউবওয়েলটিও অচল। তৃষ্ণা মেটাতে তাই দূর থেকে পানি আনতে হয় তাদের।
ফুটবলার ও তাদের অভিভাবকদের অভিযোগ, স্থানীয় প্রভাবশালীদের কারণেই নানা রকম সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।
ফুটবলার ও তাদের অভিভাবকদের অভিযোগ, স্থানীয় প্রভাবশালীদের কারণেই নানা রকম সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।
এ বিষয়ে এক নারী ফুটবলার বলেন, আমাদের ড্রেসিংরুমে ঢুকতে দেওয়া হয় না। এখানে কিছু প্রভাবশালী লোক আছে যারা এটি দখল করে রেখেছে। আমাদের অনেক সময় স্কুলের টয়লেটের মধ্যে, কখনো কখনো মাঠের মধ্যেই ড্রেসআপ করতে হচ্ছে।
আরেকজন বলেন, আমাদের পানি খাওয়ার জন্য যেতে হয় বাজারে। সেখানে গেলে লোকে মন্দ বলে।
এদিকে জেলা প্রশাসক এনামুল হাবীব জানালেন, অদম্য এই নারী ফুটবলারদের স্বপ্ন পূরণে সব রকম সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে তাদের পাশে থাকবে প্রশাসন।
তিনি বলেন, একটি সুন্দর কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে আমাদের জেলা প্রশাসন থেকে যেটা করণীয় আমরা সেটা করবো।
তিনি বলেন, একটি সুন্দর কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে আমাদের জেলা প্রশাসন থেকে যেটা করণীয় আমরা সেটা করবো।
সূত্র: সময় টিভি ও বাংলাদেশ প্রতিদিন

0 Comments